স্ক্যানডিন্যাভিয়া তৃতীয় পর্ব
পরের দিন সকালে
ঘুম ভাঙ্গার পর ডেকে গিয়ে দেখলাম বাল্টিক সমুদ্র দিয়ে আমাদের জাহাজ স্টকহোমের বেশ
কাছাকাছি চলে এসেছে। তাড়াতাড়ি fresh হয়ে breakfast করতে চলগেলাম।Continental break
fast item এর ব্যাপ্তি দেখে অভিভূত হয়ে
গেলাম। সমুদ্রের দিকে মুখ করে জানলার ধারে একটা seat নিয়ে রৌদ্রজ্বল দিনে
নীল আকাশের নিচে ঘন নীল গভীর জলের উপর দিয়ে ভাসমান জাহাজে তীরের ঘন সবুজ বনরাশির
মাঝে উঁকি মারা কাঠের বাড়ির মনোরম দৃশ্য দেখতে দেখতে বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু খাবারের সমাহার পানীয় সহযোগে সেবন করতে থাকলাম।
এমনভাবে পেট পরিপূর্ণ করতে হবে যাতে আর মধ্যাহ্নভোজ না করতে হয়, সেটাই ছিল লক্ষ্য। এই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে
জাহাজ বন্দরে প্রায় প্রবেশ করে গেল। আমরাও ধীরে ধীরে পরপর জাহাজ থেকে নামার জন্য
দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে পারলাম আমাদের লটবহর/ভ্রমণ সামগ্রী নিয়ে। বাস অপেক্ষাই করছিল আমাদের জন্য বন্দরের
বাইরে।একে একে জায়গা নেবার পর বাস ছুটে চলল স্টকহোমের বিভিন্ন দ্রষ্টব্য স্থানের
দিকে।মাঝপথে যোগ দিলেন tour guide আমাদের সাথে। তিনি আমাদের সঙ্গে পরিচয় সাড়ার পর
সংক্ষেপে Swedenও স্টকহোমের বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে বললেন।জানলাম শিক্ষা, প্রযুক্তি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় বিশ্বের
সবচেয়ে অগ্রণী দেশের মধ্যে অন্যতম সুইডেন। টেলিকমিউনিকেশনের পুরোধা কোম্পানি Erickson,
Automobile company Volvo, আসবাবপত্র কোম্পানি IKEA, আন্তর্জাতিক জলের গবেষণা সংস্থা Stockholm International
Water Institute (SIWI) এখানেই অবস্থিত। প্রতিবছরই এই সংস্থা পৃথিবীর সমস্ত জল
গবেষক ও জীববিজ্ঞানীদের নিয়ে বিশ্ব জল সপ্তাহ উদযাপন করে। বিশ্বের বিভিন্ন
প্রান্তের জলগবেষকগণ তাদের গবেষণা পত্র উপস্থাপনার মাধ্যমে গবেষণাঅর্জিত জ্ঞানের
আদানপ্রদান করে পরস্পরকে সমৃদ্ধ করেন।জলসক্রান্ত সাম্প্রতিক সমস্যার সমাধানের
সূত্র ও বিভিন্ন জলবিশারদদের মধ্যে আলোচনার ফল হিসাবে বেরিয়ে আসে। যেগুলো বিভিন্ন
দেশের জলসক্রান্ত নীতি নির্ধারকদেরকে সুপারিশ করা হয়। আমার এই বিশ্ব জল সপ্তাহে
তিনবার নিজের গবেষণাপত্র উপস্থাপনা করার
সৌভাগ্য হয়েছিল।এছাড়া এটা সর্বজনবিদিত যে অর্থশাস্ত্র ছাড়া বাকি সব বিষয়ের নোবেল
পুরস্কার Stockholm এ দেওয়া হয়।এখানকার নোবেল মিউজিয়ামে সমস্ত নোবেল বিজয়ীদের
ছবিসহ কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নথিভূক্ত করা আছে। Tour
guide আমাদের প্রথমেই নিয়ে গেল একটা বিখ্যাত museum এ- নাম ভাসা মিউজিয়াম।

আসলে
এখানে 1700 শতাব্দীর সুইডেনের এক যুদ্ধ জাহাজ
ভাসাকে প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় সংরক্ষণ করে রাখা আছে।1628 খৃষ্টাব্দের 16ই আগস্ট
জাহাজটাই ডুবে যায়। তারপর আবার 1950 সালে স্টকহোমে হারবারের জাহাজটাই দেখা যায়।
সুইডেনের সরকার একটা মিউজিয়াম নির্মাণ করে
ঐতিহাসিক জাহাজটিকে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয় এবং 1990 সালে এই মিউজিয়াম জনগণের জন্য খুলে দেন। এত
বড় structure যে একসঙ্গে পুরোটা camera বন্দি
করার চেষ্টা বিফল হল।চারতলা ঘুরে ঘুরে পুরো বিশাল জাহাজটাকে বিস্তারিতভাবে দেখলাম
আর part part করে ছবি তুললাম।ভেবেছিলাম একটা model সংগ্রহ করব, কিন্তু সময়
সঙ্কীর্ণ হওয়ায় আর সম্ভব হয় নি।
মিউজিয়ামের বাইরে এসে দেখি, তখন ও আমাদের বাস পরবর্তী দ্রষ্টব্য স্থানে
যাবার জন্য প্রস্তুত নয়। ফলে আমরা আরো কিছুটা সুযোগ পেলাম নিজেদের photo session এর
জন্য। এরপর আমরা চলে এলাম স্টকহোমে শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে। সারি বড় বড় অট্টালিকার
মাঝে অবস্থিত স্টকহোম বাল্টিক সমুদ্র থেকে ঢুকে আসা স্টকহোম হারবার। সারি সারি big
boat, small boat সব দাড়িয়ে আছে touristদের joy ride এর জন্য।
আমাদের itinerary তে
না থাকায় এবার আমাদের সেই সৌভাগ্য হয়নি। তবে 2005 এ আমি যখন গবেষণা পত্র উপস্থাপনা
করতে এসেছিলাম, তখন আমার big boat এ করে গিয়ে organisers দের আয়োজন করা একটা
দ্বীপে dinner cum dance program attend করার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেই পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করতে করতে আমরা এগিয়ে চললাম নোবেল পুরস্কার মিউজিয়ামের দিকে।গন্তব্যস্থলের প্রায় দেড় কিলোমিটার আগে মেইন রোডে নামিয়ে দিল আমাদের বাস।

বাকি পথ যেতে হল সুন্দর স্থাপত্যের নিদর্শন বড়বড় অট্টালিকার মাঝখানের গলির মধ্যে দিয়ে।দুপাশের সুন্দর সুন্দর আকর্ষক জিনিষপত্র ও সুইডেনের বিভিন্ন ধরনের সুভেনিরের দোকানগুলোয় window shopping করতে করতে পৌঁছলাম নোবেল পুরস্কার মিউজিয়ামের সামনে। অনেকেই আমরা আমাদের বাঙ্গালী নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের কথা ভেবে উত্তেজিত হয়ে পড়লাম তাদের সংরক্ষিত ও কার্যকলাপের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেখার জন্য। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর যখন প্রবেশের অনুমতি মিলল, ভেতরে ঢুকে প্রথমেই দেখলাম খোদাই করা আলফ্রেড নোবেলের ছবি। এক জায়গায় বর্ণনা করা আছে নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে।
কিছুদূর এগিয়ে বাঁদিক চোখে পড়ল একটা enquiry
workstation যেখানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দের নাম entry করলেই তাদের সংক্রান্ত
যাবতীয় তথ্য LED screen এ ভেসে আসছে। আমাদের অনেকেই সেখান থেকে আমাদের দেশের বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের নোবেল
বিজয়ীদের তথ্য সংগ্রহ করে mobile বন্দি করে নিলেন। পদযুগলকে বিশ্রাম দেবার জন্য
একটা জায়গা পেয়ে বসলাম। উপরের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে দেখলাম পরপর সাজানো একগুচ্ছ
কার্ডের সিরিজ অনবরত scroll করে যাচ্ছে। কৌতূহলবশত কাছে গিয়ে দেখলাম এক একটা
কার্ডে এক এক নোবেল বিজয়ীর ছবিসহ অবদান বর্ণিত আছে। আর কার্ডগুলো নোবেল পুরস্কার চালু হবার সময় থেকে সালের ক্রমানুসারে সাজানো আছে।

অভিনব কায়দায় স্বল্প পরিসরে
স্বল্প সময়ের মধ্যে নোবেল বিজয়ীদের সংরক্ষণ করা তথ্য উপস্থাপনা সত্যিই বিস্ময়কর।
একটু বিশ্রামের পর আবার যখন ঘুরতে শুরু করলাম দেখলাম এক জায়গায় সযত্নে রাখা আছে
অমর্ত্য সেনের ব্যবহার করা cycle, দেখে অভিভূত হলাম। আমাদের মধ্যে কেউ বাংলার
প্রথম নোবেল বিজয়ী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ও কয়েক বছর আগে অর্থনীতিতে নোবেল
বিজয়ী অপর এক বাঙ্গালী অভিজিত ব্যানার্জির সম্বন্ধীয় নথি ও খুঁজে বের করে mobile ক্যামেরাবন্দি
করলেন। নোবেল মিউজিয়াম দেখা শেষ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেবার জন্য বসলাম একটা coffee র দোকানের সামনে ।বসে থাকতে থাকতে আগের Stockholm ভ্রমণের কিছু পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। এই coffee র দোকানেই সেবার না বুঝে expresso coffee চেয়ে বিপদে পড়ে ছিলাম। একটা ছোট্ট পাত্রে ভীষণই ঘন দুধ ও চিনি ছাড়া serve করেছিল যেটা আমার পক্ষে সেবন করা সম্ভব ছিল না। তারপর জানলাম আমরা যে coffee খেয়ে অভ্যস্ত তাকে Capechino বলে।আর মনে পড়ছিল নোবেল awarding হলের কথা যেখানে শহরের মেয়র পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা আমাদের মতো জলবিজ্ঞানীদের নৈশভোজ পার্টি দিয়েছিলেন। অসাধারণ সব paintingদিয়ে সাজানো হলের দেওয়াল। 
ওই হলে কয়েকবার প্রবেশ
করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।তবে সাধারণ ট্যুরিস্টদের এই হলে প্রবেশাধিকার
নেই। তাই এবার ওই হলে এবার আর আমাদের প্রবেশ করা হল না।এইসব স্মৃতি রোমন্থন করতে
করতে সময় হয়ে এল অন্য গন্তব্যস্থলে রওনা হবার।একই পথে গলির মধ্যে দিয়ে আসার সময়
অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সুভেনিয়রে আকৃষ্ট হয়ে এদিক ওদিক ঢুকে পড়ায় গ্রুপটা ছত্রভঙ্গ
হয়ে গেল। শঙ্কুবাবু আবার সবাইকে একত্রিত করতে হিমশিম খেয়ে গেলেন। একে একে সবাই
ফিরে এলেও একটা famiilyর দুজন সদস্য কোন দোকানে ঢুকে বসে আছেন, কেউ হদিশ করতে
পারলেন না।ওনাদের mobile এ local network না থাকায় যোগাযোগ ও করা গেল না।অসীম ধৈর্য সহকারে তাদের জন্য অপেক্ষা করার
পর প্রায় আধঘন্টা পর ওনারা এসে হাজির হলেন। দলছুট হয়ে ভুল পথে চলে গেছিলেন। এর ফলে
time bound কিছু spot miss করার আশঙ্কা দেখা দিল। বাসে ওঠার আগে অল্প সময়ের মধ্যে
স্টকহোমে ক্যাথিড্রাল ও সিটি প্যালেস বাইরে থেকে দেখে নিলাম। এরপর আমাদের বাস নিয়ে
গেল Skansen বা open air মিউজিয়ামে। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো খোলা বাতাস মিউজিয়াম
যেখানে Sweden এর বিভিন্ন প্রদেশের
মানুষের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মানুষের
জীবনযাত্রা, তাদের সংস্কৃতি,
শিক্ষা নাচ গান সবকিছুর পরিচয় পেলাম । বিভিন্ন ধরণের স্থাপত্যের নিদর্শন
রাখা আছে। এর মধ্যেকার ছোটদের চিড়িয়াখানায় স্ক্যানডেনিভিয়ার বন্যপ্রাণী পোষ্য
জীবজন্তুদের সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম। নতুন সংযোজন বাল্টিক সমুদ্রের বিজ্ঞান
কেন্দ্র থেকে আমরা জলের নিচুতলার জীবন সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করলাম। সুইডেনের মানুষের
জীবনযাত্রা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, বন্যপ্রাণী ইত্যাদি নানাদিক দিয়ে সমৃদ্ধ বিপুল
সম্ভার এই নির্ধারিত স্বল্প সময়ে পুপরোটা দেখে ওটা সম্ভব নয়, তাই আংশিক দেখে আবার
বাসে ফিরে এলাম। এবার আমাদের বাস অনেকক্ষণ ধরে ছুটে চলল স্টকহোম শহরের মধ্যে দিয়ে
দুপাশের দৃষ্টিনন্দন সবুজের সমারোহ ভেদ করে বিখ্যাত ঐতিহাসি ডটিংহোম প্রাসাদের
দিকে। পৌঁছাতে পৌঁছাতে প্রায় দুপুর হয়ে গেল। এই প্রাসাদের ক্যাম্পাসের ব্যাপ্তি
দেখে অভিভূত হলাম।বাস আমাদের নামিয়ে দিল parking areaতে। সেখান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার হেঁটে পৌঁছলাম
প্রাসাদের সামনে। বিশাল হ্রদ আর ও সুপরিকল্পিত লনে সমৃদ্ধ প্রাসাদের সামনের
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অপরূপ। মাঝে মাঝে সাদা হাঁসের বিচরণ সেই সৌন্দর্যে যেন নতুন
মাত্রা দিচ্ছে।
প্রাসাদের মধ্যে আমাদের জন্যে অপেক্ষায় ছিল সযত্নে সংরক্ষণের
রাজাদের ব্যবহার করা একে র পর এক বিস্ময়কর জিনিসপত্র। বিখ্যাত শিল্পীদের painting, কারুকার্য করা
চেয়ার, পোর্সিলিনের পাত্র, ঝাড়লন্ঠন,
পাথরের লম্বা টেবিল সমৃদ্ধ লাইব্রেরির পড়ার ঘর, সুন্দর কারুকার্য করা বিভিন্ন
ধাতুর ঘড়ি, রাজ সিংহাসন , পাথরের তৈরী
বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন ইত্যাদি আরো কতকিছু।সব বিস্তারিত ভাবে দেখতে আর ছবি
নিতে নিতে তিন চতুর্থাংশ দেখা হতে না হতেই শঙ্কুবাবু আমাদের প্রায় তাড়িয়ে নিয়ে
গিয়ে বাসে তুললেন, কারণ পরবর্তী এবং আজকের
শেষ দ্রষ্টব্যস্থল Skyviewতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না পৌঁছাতে বন্ধ হয়ে যাবে!খুবই
marginal সময় হাতে নিয়ে রওনা দিল
বাস।কিছুটা খোলা রাস্তা, কিছু টা টানেলের
মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে বাস আমাদের দুর্বার গতিতে। টানেলের মধ্যে দিয়ে লম্বা road
journey ভালোই উপভোগ করছিলাম-বেশ রোমাঞ্চকর লাগছিল। ক্লান্তিতে একটু ঝিমুনি ও এসে
গেল। কিছুক্ষণ পর খেয়াল হল একটা জায়গায় বাস ন যযৌ ন তস্থৌ। রাস্তায় যানজটে আটকে
আছে বাস। এদিকে আমরা সময় মতো SkyViewতে না পৌঁছাতে পারার আশঙ্কায় বিচলিত হয়ে পড়লাম। অনেক প্রার্থনা করেও ফল হল
না।জট ছাড়তে অনেক সময় লেগে গেল, আর আমাদের আশঙ্কাই সত্যি হল।কিছুক্ষণ পর ড্রাইভার
জানাল যে নির্ধারিত সময়ে Sky View তে পৌঁছানো সম্ভব নয়, তাই ওটাতে চড়ে ওপরে গিয়ে
স্টকহোমে শহরকে দেখার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার থেকে আমরা বঞ্চিত হব। খুব আশাহত হলাম আর
হৃদয় ভেঙে গেল। তাও structure টা চোখে দেখার জন্য ওখানে যেতে রাজি হলাম। নির্ধারিত
সময়ের 5 minপরে পৌঁছলাম। শঙ্কুবাবুর অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ রাজী হল না
আমাদের প্রতি দয়া দেখাতে। সময়ের সাথে আপোস করা এই উন্নত দেশগুলোর কর্মসংস্কৃতিতে
নেই তাই বোধহয় তারা এত উন্নত আমাদের চেয়ে! যাই ছবি নিয়ে কিছুক্ষণ ঘোরাফেরার পর
ভগ্ন হৃদয়ে বাসে করে চললাম Indian restaurant এ dinner এর উদ্দেশ্যে।Dinner এর পর
এদিক ওদিক ঘুরে আবার বাসে করে প্রত্যাবর্তন হোটেলের ঘরে।Freshহয়ে mobile খুঁট খুঁট
করলাম কিছুক্ষণ। ক্যামেরা, mobile,powerbank,সব
চার্জের বসিয়ে আর পরের দিনের জন্য bag গুছিয়ে দিনের ইতি টানলাম। শুয়ে শুয়ে শুধু
মনে হতে লাগল আজকের ভ্রমণের শেষটা যেন ভালো হলনা।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন